ঢাকা    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
Bangla Lead

মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে ফের গ্যাস সরবরাহ শুরু



মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে ফের গ্যাস সরবরাহ শুরু
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সফলভাবে শেষ হওয়ার পর প্রায় চার দিন বাদে পুনরায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে (এলএনজি) পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের (রিগ্যাসিফিকেশন) পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হয়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের নির্ধারিত কাজ শেষ হওয়ায় মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকেই আগের স্বাভাবিক ক্ষমতায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সাময়িক এই বিভ্রাটের সময় ধৈর্য ধারণ ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য সম্মানিত গ্রাহকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার্থে ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস রূপান্তরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখার সময়সূচি ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। সে সময় সরবরাহ কমার কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে প্রায় ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নামতে পারে বলে আগাম পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়সীমা বিকাল ৪টার আগেই দুপুর ১টা থেকেই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

এদিকে কাজ শুরুর প্রাক্কালে চার দিন সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছিল। পেট্রোবাংলা তাৎক্ষণিকভাবে একে ভিত্তিহীন গুজব আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট করেছিল যে, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হবে না, কেবল পাইপলাইনে সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কিছুটা কম থাকতে পারে।

বর্তমানে দেশে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য মহেশখালী উপকূলে দুটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু রয়েছে। এর মধ্যে একটি পরিচালনা করে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ এবং অন্যটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি। সামিটের টার্মিনালটির দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের দৈনিক সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনাল একযোগে সচল হওয়ায় দেশব্যাপী আবাসিক ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

ট্যাগ : মহেশখালী ক্সবাজার

Bangla Lead

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে ফের গ্যাস সরবরাহ শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সফলভাবে শেষ হওয়ার পর প্রায় চার দিন বাদে পুনরায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে (এলএনজি) পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের (রিগ্যাসিফিকেশন) পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হয়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের নির্ধারিত কাজ শেষ হওয়ায় মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকেই আগের স্বাভাবিক ক্ষমতায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সাময়িক এই বিভ্রাটের সময় ধৈর্য ধারণ ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য সম্মানিত গ্রাহকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার্থে ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস রূপান্তরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখার সময়সূচি ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। সে সময় সরবরাহ কমার কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে প্রায় ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নামতে পারে বলে আগাম পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়সীমা বিকাল ৪টার আগেই দুপুর ১টা থেকেই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

এদিকে কাজ শুরুর প্রাক্কালে চার দিন সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছিল। পেট্রোবাংলা তাৎক্ষণিকভাবে একে ভিত্তিহীন গুজব আখ্যা দিয়ে স্পষ্ট করেছিল যে, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হবে না, কেবল পাইপলাইনে সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কিছুটা কম থাকতে পারে।

বর্তমানে দেশে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য মহেশখালী উপকূলে দুটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু রয়েছে। এর মধ্যে একটি পরিচালনা করে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ এবং অন্যটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি। সামিটের টার্মিনালটির দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের দৈনিক সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনাল একযোগে সচল হওয়ায় দেশব্যাপী আবাসিক ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হয়ে আসছে।


Bangla Lead

সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাঃ উবায়দুল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা লিড