ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
Bangla Lead

আর্কাইভ দেখুন

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফুটবলবিশ্বে চলছে সম্ভাবনার হিসাব-নিকাশ। কে হবে শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার, কোন দল চমক দেখাতে পারে, আর কারা হতে পারে নীরব ঘাতক এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার ও ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল গাফ্ফারের দৃষ্টিতে শিরোপার লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। তবে তার মতে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে পর্তুগালের আবেগ ও ঐক্যও বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। ‘বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে শুধু নাম বা ইতিহাস দিয়ে কিছু হয় না। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কে কতটা প্রস্তুত, আর চাপের মুহূর্তে কে নিজের সেরাটা দিতে পারে। আমার চোখে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দল স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। স্পেনকে আমি অনেক এগিয়ে রাখছি। তাদের বর্তমান দলটিতে তরুণদের ক্ষুধা আছে, প্রতিভা আছে, আবার আধুনিক ফুটবলের সব উপাদানও আছে। পেদ্রি, গাভি, লামিন ইয়ামালদের মতো তরুণরা দলটিকে নতুন প্রাণ দিয়েছে। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে তারা আরও সংগঠিত এবং পরিকল্পনামাফিক ফুটবল খেলছে। তারা বল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, দ্রুত আক্রমণে যেতে পারে এবং দল হিসেবে খেলতে জানে। আর্জেন্টিনা তো বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তারা জানে কীভাবে বড় টুর্নামেন্ট জিততে হয়। লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বে দলটি এখন এক অসাধারণ ইউনিট। লিওনেল মেসি, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, এনজো ফার্নান্দেজ, রদ্রিগো দে পল ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মতো খেলোয়াড়রা দলকে ভারসাম্য দিয়েছে। তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ঐক্য এবং জয়ের মানসিকতা। ফ্রান্সকে বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দিদিয়ের দেশমের অভিজ্ঞ নেতৃত্বে দলটি প্রতিটি বিভাগে বিশ্বমানের খেলোয়াড়ে ভরপুর। কিলিয়ান এমবাপ্পে, অরেলিয়েন চুয়ামেনি, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, উইলিয়াম সালিবা, জুল কুন্দে ও উসমান দেম্বেলের মতো খেলোয়াড়রা ফ্রান্সকে ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। অভিজ্ঞতা, শক্তি, গতি এবং গভীরতা—সব মিলিয়ে তারা যেকোনো সময় টুর্নামেন্ট জয়ের সামর্থ্য রাখে। ইংল্যান্ডের বর্তমান প্রজন্মও অসাধারণ। গ্যারেথ সাউথগেটের (বা পরবর্তী কোচের) পরিকল্পনায় জুড বেলিংহ্যাম, ফিল ফোডেন, বুকায়ো সাকা, হ্যারি কেইন, জন স্টোনস ও ডেকলান রাইসের মতো খেলোয়াড়রা দলটিকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে। এরা সবাই ম্যাচের ফল বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। যদি তারা মানসিক চাপ সামলাতে পারে, তাহলে অনেক দূর যেতে পারবে। অনেকে ব্রাজিলকে শিরোপার দৌড়ে রাখে। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত তালিকায় ব্রাজিল নেই। নেইমার-পরবর্তী সময়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো, রাফিনিয়া ও ব্রুনো গিমারাইসদের মতো প্রতিভা থাকলেও তারা এখনও দল হিসেবে পুরোপুরি স্থিরতা খুঁজে পায়নি। তাই আমি এই মুহূর্তে স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডকেই বেশি এগিয়ে রাখি। তবে আলাদাভাবে পর্তুগালের কথা বলতে চাই। পর্তুগালকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লেয়াও, দিয়োগো জোটা ও রুবেন দিয়াসদের মতো খেলোয়াড়রা এক অসাধারণ ভারসাম্য তৈরি করেছে। রোনালদোকে ঘিরে দলে এক ধরনের আবেগ ও ঐক্য কাজ করে। আর্জেন্টিনা যেমন মেসিকে কেন্দ্র করে বিশ্বকাপ জিতেছিল, তেমনি পর্তুগালের খেলোয়াড়রাও রোনালদোর জন্য একই স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামে। রোনালদো শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি পর্তুগালের ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতীক। তার জন্য সতীর্থরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে চায়। সেই আবেগ অনেক সময় দলকে আলাদা শক্তি দেয়। তাই আমার মতে, শিরোপার দৌড়ের বাইরেও পর্তুগাল এমন একটি দল, যারা সুযোগ পেলে ইতিহাস গড়ে ফেলতে পারে। বিশ্বকাপের সৌন্দর্যই এখানেই। সব হিসাব সবসময় মেলে না। কখনও আবেগ, কখনও ঐক্য, কখনও বিশ্বাস আর একটি স্বপ্নই ট্রফির পথ বদলে দেয়। তাই আমি মনে করি, ২০২৬ বিশ্বকাপে বড় কিছু করার সামর্থ্য পর্তুগালেরও রয়েছে।’


বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল।সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দেশটির দূতাবাসের রাজনৈতিক শাখার প্রথম সচিব হ্যারি থমসন ও আনা পিটারসন। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, মারজিয়া আক্তার, মারদিয়া মমতাজ এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমানের আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফর, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও অর্থবহ করে তুলতে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।এ সময় উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন যে, বিরোধী দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর ও প্রাণবন্ত হতে পারে না।আলোচনায় সদ্য ঘোষিত জাতীয় বাজেট, বিরোধী দলের প্রস্তাবিত ছায়া বাজেট, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিকাশের বিষয়ও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে জ্বালানি খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকের একপর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন উপায় নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই পক্ষ।এ ছাড়া বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।


দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দিল্লি বিমানবন্দরে উপদেষ্টা জাহেদকে আটকে দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রীদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে।খলিলুর রহমান বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং দুঃখজনকও বটে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে। দিনের শেষে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।জানা গেছে, ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে রোববার সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তার।তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে। এ সময় তাকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি দিল্লিতে না গিয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।ঢাকা ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়েছে, জাহেদ উর রহমানের সফর ও বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিনের বরাতে জানা যায়, কিছু সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিলেও ডা. জাহেদ উর রহমান তাতে সম্মত হননি। পরে তিনি কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে


প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ‘মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক’ বা নিরাপত্তা রক্ষাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেহরানের নেতৃত্ব ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে।ট্রাম্প বলেন, এর বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ‘অভিভাবক’ বা নিরাপত্তা রক্ষাকারীর দায়িত্ব নিতে পারে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থার বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে হবে।তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে তার করা সমঝোতা স্মারক শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য পথটিকে ‘স্থায়ীভাবে শুল্কমুক্ত’ করে দেবে।সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্র দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে অর্থের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে কাজ করার ধারণার সঙ্গে একমত হয়েছে কি না। জবাবে তিনি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। বরং ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা মাত্র শুরু হয়েছে।ট্রাম্প বলেন, ‘এটি তখনই ঘটবে, যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ হিসেবেই থেকে যায়।’এ ছাড়া তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলোচিত মোজতবা খামেনি এবং দেশটির বর্তমান প্রশাসনকে ‘বাস্তববাদী’ বলে আখ্যায়িত করেন।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এ মন্তব্য যুদ্ধের প্রথম দিনের অবস্থানের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। সে সময় তিনি ইরানের জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বোমা হামলা শেষ হওয়ার পর তারা যেন নিজেদের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়।সূত্র: এনডিটিভি


ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্পষ্ট ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ নিলে দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত রয়েছে জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।ইউরোপের এই চার দেশের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাঁরা বলেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে জানা যায়, রোববার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে চার দেশ জানায়, ইরান ইস্যুতে তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরান যদি আন্তর্জাতিক উদ্বেগ দূর করতে কার্যকর ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ নেয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথ তৈরি হতে পারে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মতে, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সংকটের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি।পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে চার দেশ। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ কোনো বাধা ছাড়াই খুলে দেওয়া প্রয়োজন।একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বানও জানানো হয়েছে।সূত্র: আল জাজিরা


ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

জামায়াতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, তদন্ত ইস্যুতে প্রশ্ন ছুঁড়লেন রাশেদ খাঁন

জামায়াতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, তদন্ত ইস্যুতে প্রশ্ন ছুঁড়লেন রাশেদ খাঁন

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

ঈদে ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা

ঈদে ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলকের স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলকের স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ

ঈদে ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা

ঈদে ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত