ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
Bangla Lead

চূড়ান্ত চুক্তির পর নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাইবে ইরান



চূড়ান্ত চুক্তির পর নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাইবে ইরান
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি হলে তা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করবে ইরান। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন।

বাঘাই বলেন, ৬০ দিনের সময়সীমা শেষে চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তেহরান অতীত অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে সতর্কভাবে এগোবে।


তিনি বলেন, আমেরিকানদের ওপর কোনো বিশ্বাস নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের অবিশ্বাসের ইতিহাস ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। ওই বছর পশ্চিমা শক্তির সমর্থনে ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেগকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনার দিকেই ইঙ্গিত করেন তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তখন থেকেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক ভেঙে যায়। এখন আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির খসড়ায় লেবাননকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইরান। এতে সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয় রয়েছে।


বাঘাই জানান, সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগে চলতি সপ্তাহে ইরানি প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক কয়েকটি দেশে সফর করবেন। চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জানানো হতে পারে বলেও রয়টার্স জানিয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগ : ইরান সমঝোতা স্মারক নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘ

Bangla Lead

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


চূড়ান্ত চুক্তির পর নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাইবে ইরান

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি হলে তা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করবে ইরান। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন।

বাঘাই বলেন, ৬০ দিনের সময়সীমা শেষে চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তেহরান অতীত অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে সতর্কভাবে এগোবে।


তিনি বলেন, আমেরিকানদের ওপর কোনো বিশ্বাস নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের অবিশ্বাসের ইতিহাস ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। ওই বছর পশ্চিমা শক্তির সমর্থনে ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেগকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনার দিকেই ইঙ্গিত করেন তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তখন থেকেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক ভেঙে যায়। এখন আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির খসড়ায় লেবাননকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইরান। এতে সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয় রয়েছে।


বাঘাই জানান, সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগে চলতি সপ্তাহে ইরানি প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক কয়েকটি দেশে সফর করবেন। চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জানানো হতে পারে বলেও রয়টার্স জানিয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স


Bangla Lead

সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাঃ উবায়দুল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা লিড