ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
Bangla Lead

আর্কাইভ দেখুন

বেনজীরকে ইউএই থেকে ফেরানো সম্ভব: শিশির মনির

বেনজীরকে ইউএই থেকে ফেরানো সম্ভব: শিশির মনির

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির।সোমবার (১৫ জুন) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া: একটি সারসংক্ষেপ’ শিরোনামে দেওয়া পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।শিশির মনির বলেন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বর্তমানে কার্যকর কোনো দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। তবে ২০১৪ সালে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন সিকিউরিটি কো-অপারেশন’ এবং ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্রান্সফার অব সেন্টেন্সড প্রিজনার্স’ বিচারিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।তিনি জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও বাংলাদেশের ‘এক্সট্রাডিশন অ্যাক্ট, ১৯৭৪’-এর ধারা ৪ অনুযায়ী সরকার চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে আইনের আওতায় প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে পারে।ফেসবুক পোস্টে শিশির মনির উল্লেখ করেন, ইউএইর আইনের অধীনে গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রস্তাব প্রস্তুত করবে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক চ্যানেলে তা পাঠাবে এবং বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো সার্বক্ষণিক সমন্বয় করবে।প্রত্যর্পণ আবেদনের সঙ্গে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, এফআইআর, চার্জশিট বা তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ, অভিযুক্তের পরিচয় ও নাগরিকত্বের তথ্য, অপরাধের বিবরণ, প্রাসঙ্গিক আইন এবং অভিযোগের সমর্থনে প্রমাণাদি সংযুক্ত করতে হবে বলেও জানান তিনি।শিশির মনিরের মতে, আবেদন পাওয়ার পর ইউএইর আদালত কয়েকটি বিষয় যাচাই করবে। এর মধ্যে রয়েছে অভিযোগকৃত অপরাধ ইউএইর আইনেও অপরাধ কি না, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না এবং বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার পর অভিযুক্ত ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাবেন কি না।অতীতের উদাহরণ হিসেবে তিনি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামি মোহসিন মিয়া ও আরিফ সরকারকে দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তার মতে, যথাযথ নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট দেশের সহযোগিতা থাকলে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সফল হতে পারে।সবশেষে শিশির মনির বলেন, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর। এগুলো হলো শক্তিশালী আইনি নথিপত্র, অভিযুক্তের পরিচয় ও মামলার তথ্যের নির্ভুল উপস্থাপন এবং ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা। এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সফল হলে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হবে। সূত্র: শিশির মনিরের ফেসবুক পোস্ট


চূড়ান্ত চুক্তির পর নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাইবে ইরান

চূড়ান্ত চুক্তির পর নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাইবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি হলে তা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করবে ইরান। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন।বাঘাই বলেন, ৬০ দিনের সময়সীমা শেষে চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তেহরান অতীত অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে সতর্কভাবে এগোবে।তিনি বলেন, আমেরিকানদের ওপর কোনো বিশ্বাস নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের অবিশ্বাসের ইতিহাস ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। ওই বছর পশ্চিমা শক্তির সমর্থনে ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেগকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনার দিকেই ইঙ্গিত করেন তিনি।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তখন থেকেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক ভেঙে যায়। এখন আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির খসড়ায় লেবাননকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইরান। এতে সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোর বিষয় রয়েছে। বাঘাই জানান, সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগে চলতি সপ্তাহে ইরানি প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক কয়েকটি দেশে সফর করবেন। চুক্তি সইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জানানো হতে পারে বলেও রয়টার্স জানিয়েছে। সূত্র: রয়টার্স


‘আগে খরচ, পরে অনুমোদন’ প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের প্রশ্ন

‘আগে খরচ, পরে অনুমোদন’ প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের প্রশ্ন

অর্থবছরের শেষ সময়ে সম্পূরক বাজেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যয়ের অনুমোদন নেওয়ার প্রচলিত প্রক্রিয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, সরকার আগে অর্থ ব্যয় করে পরে সংসদের অনুমোদন চায়। এতে সংসদের কার্যকর ভূমিকা ও সার্বভৌমত্ব সীমিত হয়ে পড়ে।সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের মঞ্জুরি দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সম্পূরক বাজেটের ২৫টি মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোট গ্রহণ শুরু হয়।স্পিকার জানান, ২০ জন সংসদ সদস্য এসব দাবির বিপরীতে মোট ৩০৪টি ছাঁটাই প্রস্তাবের নোটিশ দিয়েছেন।আলোচনার শুরুতে ঢাকা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, খরচ করার পর অনুমোদন নেওয়ার এই চর্চা দেশের অর্থনীতি ও সামগ্রিক কল্যাণের স্বার্থে বন্ধ হওয়া দরকার।পাবনা-১ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান পরিকল্পনা বিভাগের মঞ্জুরি দাবির ওপর আলোচনায় একই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। সংবিধানের ৯১ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অতিরিক্ত ব্যয়ের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নামে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা পরে সম্পূরক বাজেট হিসেবে সংসদে আনা হয়।তিনি বলেন, সরকার আগে খরচ করে, এরপর সেটি সম্পূরক বাজেট হিসেবে সংসদে পেশ করা হয়। তখন সংসদের সামনে তা পাস করা ছাড়া কার্যত আর কোনো পথ থাকে না।সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯-এর প্রসঙ্গ টেনে নাজিবুর রহমান বলেন, আইনে সংশোধিত বাজেট যথাসম্ভব প্রতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যে পেশ করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ‘যথাসম্ভব’ শব্দটির সুযোগ নিয়ে জুন মাসে এটি আনা হচ্ছে। মার্চ বা এপ্রিলে কেন সংশোধিত বাজেট দেওয়া গেল না, তার ব্যাখ্যা সরকারের দেওয়া উচিত।বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবির ওপর আলোচনায় বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল আলিম বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে সম্পূরক বাজেটের প্রয়োজন হতো না। তিনি ‘আগে অনুমোদন, পরে খরচ’ নীতি চালুর দাবি জানান।তাঁর অভিযোগ, অর্থবছরের শেষদিকে তাড়াহুড়ো করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রবণতা অনিয়ম ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি করে।কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল গফুর অর্থ বিভাগের মঞ্জুরি দাবির ছাঁটাই প্রস্তাবের পক্ষে বলেন, নির্ধারিত বরাদ্দের মধ্যে ব্যয় সীমিত রাখতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এটি প্রমাণ করে, সরকারি ব্যয়ে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও মিতব্যয়িতা ছিল না।সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, খরচের আগে সংসদের অনুমোদন নেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে সংসদের কর্তৃত্ব ও সার্বভৌমত্ব আরও শক্তিশালী হতো।তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় খরচের ক্ষেত্রে আগে সংসদের অনুমোদন নেওয়া উচিত বলে তিনিও মনে করেন। তবে নানা কারণে তা সব সময় সম্ভব হয় না।স্পিকার আরও বলেন, প্রতিটি সংসদে এভাবে সম্পূরক বাজেট পাস হওয়া এখন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। তবে ভবিষ্যতের জন্য বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে।অন্যদিকে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম সম্পূরক বাজেট মার্চ মাসে দেওয়া অবাস্তব বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জুন মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত অর্থ খরচ চলতে থাকে। তাই সম্পূরক বাজেট জুন মাসেই দিতে হয়।তিনি আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দলের আলোচনার মাধ্যমেই ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচ্য খাত নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বাইরে যেন এমন বার্তা না যায় যে বিরোধী দল আলোচনা না করেই সব মেনে নিচ্ছে। বরং বিরোধী দল সংসদে জনগণের পক্ষে কথা বলছে, এই বার্তাটি যাওয়া দরকার।জবাবে স্পিকার বলেন, সব সদস্যকে বলার সুযোগ দিলে বাজেট অধিবেশন কয়েক মাস লেগে যেতে পারে। সংসদীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে এমন সমঝোতা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে মোট ২৫টি মঞ্জুরি দাবি রয়েছে। স্পিকার জানান, সংবিধানের ৮৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দায়যুক্ত ব্যয় সংসদে আলোচনা হতে পারলেও তা ভোটের আওতায় পড়ে না।বিরোধী দলের তালিকা অনুযায়ী অর্থ বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশন, এই আটটি খাতের ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। অন্য দাবিগুলো সরাসরি ভোটে নিষ্পত্তি করা হবে।


বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার আশা শিক্ষামন্ত্রীর

বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার আশা শিক্ষামন্ত্রীর

খ্রিষ্টধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের পাঠ্যবই হাতে পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি, এই বছরে ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে তাদের বই পৌঁছে দেব। বইগুলি পরিমার্জিত বই এবং বইগুলোর কারিকুলাম অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৮ সালে আমরা নতুন কারিকুলাম নিয়ে নতুন সিলেবাস নিয়ে আমরা আসতে পারব।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বইগুলো পরিমার্জন হয়েছে। চারটি বিষয়ে আমরা বই নতুনভাবে দিচ্ছি এবং এই কর্মযজ্ঞ শিক্ষা মন্ত্রণালয় চালিয়ে যাচ্ছে।’ সাধারণত বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। তবে এবার ২৫ ডিসেম্বরের আগেই তাদের হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী। আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন মাধ্যমিক স্তরের এসএসসি পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সুন্দরভাবে। প্রশ্নপত্র আউট (ফাঁস) হয়নি, নকল হয়নি এবং দুই মাসের ভেতরে আগামী ২০ জুলাইয়ের ভেতরে রেজাল্টও আউট (ফল প্রকাশ) হয়ে যাবে।’ শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘এর পরিবর্তীতে সেশন জট এবং এই যে গ্যাপ রয়েছে আমাদের এসএসসি, এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশনের, এই গ্যাপগুলোকে আমরা সমন্বয় সাধন করছি। আশা করছি, ২০২৮ এর মধ্যে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই কলেজ অ্যাডমিশন এবং কলেজ শেষ করে ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন...। এটাকে আমরা সিংক্রোনাইজ করছি। আমরা কোনো অবস্থাতেই অবহেলাতে সময় কাটাব না আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য।’ শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এই যে সিংক্রোনাইজ করছি এসএসসি, এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি এডুকেশন, এখানে যেন ছেলেমেয়েরা বসে না থাকে এবং অযথা যেন কোচিং সেন্টারে যেতে না হয় এবং ক্রিয়েটিভ এডুকেশন সৃজনশীল লেখাপড়া যেন তারা করতে পারে, সেই দিকে আমরা লক্ষ্য রেখে আমরা সিলেবাস কারিকুলাম আমরা তৈরি করছি।’ অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফুটবলবিশ্বে চলছে সম্ভাবনার হিসাব-নিকাশ। কে হবে শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার, কোন দল চমক দেখাতে পারে, আর কারা হতে পারে নীরব ঘাতক এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশের সাবেক ফুটবলার ও ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল গাফ্ফারের দৃষ্টিতে শিরোপার লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। তবে তার মতে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে পর্তুগালের আবেগ ও ঐক্যও বিশ্বকাপের মঞ্চে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। ‘বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে শুধু নাম বা ইতিহাস দিয়ে কিছু হয় না। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কে কতটা প্রস্তুত, আর চাপের মুহূর্তে কে নিজের সেরাটা দিতে পারে। আমার চোখে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দল স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। স্পেনকে আমি অনেক এগিয়ে রাখছি। তাদের বর্তমান দলটিতে তরুণদের ক্ষুধা আছে, প্রতিভা আছে, আবার আধুনিক ফুটবলের সব উপাদানও আছে। পেদ্রি, গাভি, লামিন ইয়ামালদের মতো তরুণরা দলটিকে নতুন প্রাণ দিয়েছে। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে তারা আরও সংগঠিত এবং পরিকল্পনামাফিক ফুটবল খেলছে। তারা বল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, দ্রুত আক্রমণে যেতে পারে এবং দল হিসেবে খেলতে জানে। আর্জেন্টিনা তো বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তারা জানে কীভাবে বড় টুর্নামেন্ট জিততে হয়। লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বে দলটি এখন এক অসাধারণ ইউনিট। লিওনেল মেসি, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, এনজো ফার্নান্দেজ, রদ্রিগো দে পল ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মতো খেলোয়াড়রা দলকে ভারসাম্য দিয়েছে। তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ঐক্য এবং জয়ের মানসিকতা। ফ্রান্সকে বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দিদিয়ের দেশমের অভিজ্ঞ নেতৃত্বে দলটি প্রতিটি বিভাগে বিশ্বমানের খেলোয়াড়ে ভরপুর। কিলিয়ান এমবাপ্পে, অরেলিয়েন চুয়ামেনি, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, উইলিয়াম সালিবা, জুল কুন্দে ও উসমান দেম্বেলের মতো খেলোয়াড়রা ফ্রান্সকে ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। অভিজ্ঞতা, শক্তি, গতি এবং গভীরতা—সব মিলিয়ে তারা যেকোনো সময় টুর্নামেন্ট জয়ের সামর্থ্য রাখে। ইংল্যান্ডের বর্তমান প্রজন্মও অসাধারণ। গ্যারেথ সাউথগেটের (বা পরবর্তী কোচের) পরিকল্পনায় জুড বেলিংহ্যাম, ফিল ফোডেন, বুকায়ো সাকা, হ্যারি কেইন, জন স্টোনস ও ডেকলান রাইসের মতো খেলোয়াড়রা দলটিকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে। এরা সবাই ম্যাচের ফল বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। যদি তারা মানসিক চাপ সামলাতে পারে, তাহলে অনেক দূর যেতে পারবে। অনেকে ব্রাজিলকে শিরোপার দৌড়ে রাখে। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত তালিকায় ব্রাজিল নেই। নেইমার-পরবর্তী সময়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো, রাফিনিয়া ও ব্রুনো গিমারাইসদের মতো প্রতিভা থাকলেও তারা এখনও দল হিসেবে পুরোপুরি স্থিরতা খুঁজে পায়নি। তাই আমি এই মুহূর্তে স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডকেই বেশি এগিয়ে রাখি। তবে আলাদাভাবে পর্তুগালের কথা বলতে চাই। পর্তুগালকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। রবার্তো মার্টিনেজের অধীনে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লেয়াও, দিয়োগো জোটা ও রুবেন দিয়াসদের মতো খেলোয়াড়রা এক অসাধারণ ভারসাম্য তৈরি করেছে। রোনালদোকে ঘিরে দলে এক ধরনের আবেগ ও ঐক্য কাজ করে। আর্জেন্টিনা যেমন মেসিকে কেন্দ্র করে বিশ্বকাপ জিতেছিল, তেমনি পর্তুগালের খেলোয়াড়রাও রোনালদোর জন্য একই স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামে। রোনালদো শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি পর্তুগালের ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতীক। তার জন্য সতীর্থরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে চায়। সেই আবেগ অনেক সময় দলকে আলাদা শক্তি দেয়। তাই আমার মতে, শিরোপার দৌড়ের বাইরেও পর্তুগাল এমন একটি দল, যারা সুযোগ পেলে ইতিহাস গড়ে ফেলতে পারে। বিশ্বকাপের সৌন্দর্যই এখানেই। সব হিসাব সবসময় মেলে না। কখনও আবেগ, কখনও ঐক্য, কখনও বিশ্বাস আর একটি স্বপ্নই ট্রফির পথ বদলে দেয়। তাই আমি মনে করি, ২০২৬ বিশ্বকাপে বড় কিছু করার সামর্থ্য পর্তুগালেরও রয়েছে।’


বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল।সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দেশটির দূতাবাসের রাজনৈতিক শাখার প্রথম সচিব হ্যারি থমসন ও আনা পিটারসন। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, মারজিয়া আক্তার, মারদিয়া মমতাজ এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমানের আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফর, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও অর্থবহ করে তুলতে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।এ সময় উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন যে, বিরোধী দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর ও প্রাণবন্ত হতে পারে না।আলোচনায় সদ্য ঘোষিত জাতীয় বাজেট, বিরোধী দলের প্রস্তাবিত ছায়া বাজেট, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিকাশের বিষয়ও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে জ্বালানি খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকের একপর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন উপায় নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই পক্ষ।এ ছাড়া বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা হয়।


দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দিল্লি বিমানবন্দরে উপদেষ্টা জাহেদকে আটকে দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রীদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে।খলিলুর রহমান বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং দুঃখজনকও বটে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে। দিনের শেষে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।জানা গেছে, ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে রোববার সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তার।তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে। এ সময় তাকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি দিল্লিতে না গিয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।ঢাকা ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়েছে, জাহেদ উর রহমানের সফর ও বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিনের বরাতে জানা যায়, কিছু সময় জিজ্ঞাসাবাদের পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিলেও ডা. জাহেদ উর রহমান তাতে সম্মত হননি। পরে তিনি কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে


প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ‘মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক’ বা নিরাপত্তা রক্ষাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেহরানের নেতৃত্ব ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে।ট্রাম্প বলেন, এর বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ‘অভিভাবক’ বা নিরাপত্তা রক্ষাকারীর দায়িত্ব নিতে পারে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থার বিনিময়ে অঞ্চলটির মোট আয়ের ২০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে হবে।তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে তার করা সমঝোতা স্মারক শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য পথটিকে ‘স্থায়ীভাবে শুল্কমুক্ত’ করে দেবে।সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্র দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে অর্থের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে কাজ করার ধারণার সঙ্গে একমত হয়েছে কি না। জবাবে তিনি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। বরং ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা মাত্র শুরু হয়েছে।ট্রাম্প বলেন, ‘এটি তখনই ঘটবে, যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ হিসেবেই থেকে যায়।’এ ছাড়া তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলোচিত মোজতবা খামেনি এবং দেশটির বর্তমান প্রশাসনকে ‘বাস্তববাদী’ বলে আখ্যায়িত করেন।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এ মন্তব্য যুদ্ধের প্রথম দিনের অবস্থানের সঙ্গে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক। সে সময় তিনি ইরানের জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বোমা হামলা শেষ হওয়ার পর তারা যেন নিজেদের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়।সূত্র: এনডিটিভি


ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্পষ্ট ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ নিলে দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত রয়েছে জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য।ইউরোপের এই চার দেশের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাঁরা বলেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে জানা যায়, রোববার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে চার দেশ জানায়, ইরান ইস্যুতে তারা যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরান যদি আন্তর্জাতিক উদ্বেগ দূর করতে কার্যকর ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ নেয়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথ তৈরি হতে পারে। ইউরোপীয় দেশগুলোর মতে, কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সংকটের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি।পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে চার দেশ। তারা বলেছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ কোনো বাধা ছাড়াই খুলে দেওয়া প্রয়োজন।একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বানও জানানো হয়েছে।সূত্র: আল জাজিরা


ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

জামায়াতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, তদন্ত ইস্যুতে প্রশ্ন ছুঁড়লেন রাশেদ খাঁন

জামায়াতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, তদন্ত ইস্যুতে প্রশ্ন ছুঁড়লেন রাশেদ খাঁন

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

ঈদে ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা

ঈদে ফিলিং স্টেশন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশনা

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

বেনজীরকে ইউএই থেকে ফেরানো সম্ভব: শিশির মনির

বেনজীরকে ইউএই থেকে ফেরানো সম্ভব: শিশির মনির

চূড়ান্ত চুক্তির পর নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাইবে ইরান

চূড়ান্ত চুক্তির পর নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন চাইবে ইরান

‘আগে খরচ, পরে অনুমোদন’ প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের প্রশ্ন

‘আগে খরচ, পরে অনুমোদন’ প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের প্রশ্ন

বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার আশা শিক্ষামন্ত্রীর

বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার আশা শিক্ষামন্ত্রীর

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

গাফ্ফারের চোখে স্পেন আর্জেন্টিনা ফ্রান্স ইংল্যান্ডের শিরোপার লড়াই ও পর্তুগালের সম্ভাবনা

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের

দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দিল্লির ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের প্রস্তাব ইউরোপের চার দেশের

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী