ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
Bangla Lead

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী



ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তরুণরাই দেশ পরিচালনা করবে, তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর দেশ গড়ে তোলার প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করতে হবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তর আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে তিনি মিরপুর বাংলা কলেজ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়তনের তুলনায় ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর। বিপুল জনসংখ্যার এই নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখা কঠিন হলেও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও কাজ করার এবং স্বজন ও প্রতিবেশীদের সচেতন করার পরামর্শ দেন তিনি।

জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে পরিবেশের যোগসূত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি পরিবার সুস্থ থাকবে কি না, তা অনেকাংশে নির্ভর করে আশপাশের পরিবেশের ওপর। বিশাল জনগোষ্ঠীর দেশে সবাই অসুস্থ হলে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। তাই অসুস্থ হওয়ার আগেই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রেখে রোগবালাই প্রতিরোধ করতে হবে। ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে জমে থাকা পানি অপসারণ ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, আগামী নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনিবার দেশব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার নাম আসা অত্যন্ত বিব্রতকর। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন। এ সময় ২০০৪-০৫ সালের দিকে ঢাকা শহরে তাঁর উদ্যোগে প্রায় ৮০ হাজার নিমগাছ লাগানোর স্মৃতি এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাঠানো নিমগাছ সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে ‘জিয়া ট্রি’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি। শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগকে ছাড়িয়ে আরও বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে জাপানের নাগরিকদের যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার ইতিবাচক অভ্যাসের উদাহরণ টানেন তিনি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধ ২০২৬

Bangla Lead

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে তরুণরাই দেশ পরিচালনা করবে, তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর দেশ গড়ে তোলার প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করতে হবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তর আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে তিনি মিরপুর বাংলা কলেজ পরিদর্শন করেন এবং সেখানে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়তনের তুলনায় ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর। বিপুল জনসংখ্যার এই নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখা কঠিন হলেও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক বা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও কাজ করার এবং স্বজন ও প্রতিবেশীদের সচেতন করার পরামর্শ দেন তিনি।

জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে পরিবেশের যোগসূত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি পরিবার সুস্থ থাকবে কি না, তা অনেকাংশে নির্ভর করে আশপাশের পরিবেশের ওপর। বিশাল জনগোষ্ঠীর দেশে সবাই অসুস্থ হলে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। তাই অসুস্থ হওয়ার আগেই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রেখে রোগবালাই প্রতিরোধ করতে হবে। ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে জমে থাকা পানি অপসারণ ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, আগামী নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনিবার দেশব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার নাম আসা অত্যন্ত বিব্রতকর। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন। এ সময় ২০০৪-০৫ সালের দিকে ঢাকা শহরে তাঁর উদ্যোগে প্রায় ৮০ হাজার নিমগাছ লাগানোর স্মৃতি এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাঠানো নিমগাছ সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে ‘জিয়া ট্রি’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন তিনি। শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগকে ছাড়িয়ে আরও বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে জাপানের নাগরিকদের যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার ইতিবাচক অভ্যাসের উদাহরণ টানেন তিনি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


Bangla Lead

সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাঃ উবায়দুল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা লিড