ককরোচ পার্টির শীর্ষ নেতাদের কোথায় নিয়ে গেছে পুলিশ, যা জানা গেল
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত গণবিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগেই বিমান থেকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ শীর্ষ তিন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) মুম্বাই থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইটটি দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর বিমানের ভেতর থেকেই তাঁদের আটক করা হয়। খবর এনডিটিভির।আটক অপর দুই নেতা হলেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। উড়োজাহাজের ভেতরে ধারণ করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দিল্লি পুলিশের সদস্যরা ৩০ বছর বয়সী দীপকে এবং তাঁর সঙ্গীদের আটক করছেন। এ সময় পুলিশের উদ্দেশে দীপকে বলতে থাকেন, ‘আমি এখানে গ্রেপ্তার হতেই এসেছি। আমাকে গ্রেপ্তার করুন, আমি আপনাদের কাউকে ভয় পাই না।’ তখন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা জানান এটি আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তার নয় এবং তাঁকে তদন্তে সহযোগিতার অনুরোধ জানান।এনডিটিভির এক বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, আটকের পর এই তিন নেতাকে এক জায়গায় না রেখে পৃথক তিনটি স্থানে স্থানান্তর করেছে পুলিশ। সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকেকে হরিয়ানার গুরগাঁওয়ের একটি বিশেষ আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে এবং অপর দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লির ভিন্ন দুটি স্থানে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এর আগে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশের প্রস্তুতিকালে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও গুরগাঁওয়ের নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে এ প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয় সিজেপি। এর আগে আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছিলেন, তিনি ও তাঁর পরিবার এই বিক্ষোভে সশরীরে অংশ নেবেন।বিক্ষোভ দমন ও জমায়েত ঠেকাতে শুক্রবার রাত ৯টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দিল্লি পুলিশ আইনের আওতায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার ভোর থেকেই রাজধানীর রাজপথে কড়া ট্রাফিক ব্যারিকেড, ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন, রাজধানীমুখী বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল এবং সুনির্দিষ্ট কিছু জোনে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রেখে পুরো দিল্লিকে নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলা হয়েছে।সূত্র: এনডিটিভি