ঢাকা    সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla Lead

নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক নয় কেন, হাইকোর্টের রুল



নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক নয় কেন, হাইকোর্টের রুল
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক না হওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এসকে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আইনজীবী ইসরাত জাহান অমি এ বিষয়ে রিট আবেদন করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, কোনো মাদকাসক্ত ব্যক্তি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে জন্য নির্বাচনি বিধিমালা সংশোধন করে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল অথবা স্বীকৃত বা সার্টিফায়েড ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্ট করানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী অনি নিজে। শুনানি শেষে তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই।

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী কিংবা পুলিশ সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যারা প্রার্থী হন, তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই।

রিটকারী আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের বিষয়টি থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য কিংবা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি—যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তাদের মাদকমুক্ত ও ‘সাউন্ড মাইন্ড’ বা সুস্থ মানসিকতার হওয়া উচিত।

হাইকোর্টের জারি করা রুলে নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক না করার বিষয়টি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সংশ্লিষ্টদের কাছে তার ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ট্যাগ : জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থানীয় সরকার নির্বাচন

Bangla Lead

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক নয় কেন, হাইকোর্টের রুল

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক না হওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এসকে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আইনজীবী ইসরাত জাহান অমি এ বিষয়ে রিট আবেদন করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, কোনো মাদকাসক্ত ব্যক্তি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে জন্য নির্বাচনি বিধিমালা সংশোধন করে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতাল অথবা স্বীকৃত বা সার্টিফায়েড ল্যাবরেটরি থেকে ডোপ টেস্ট করানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী অনি নিজে। শুনানি শেষে তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই।

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী কিংবা পুলিশ সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যারা প্রার্থী হন, তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই।

রিটকারী আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের বিষয়টি থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য কিংবা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি—যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তাদের মাদকমুক্ত ও ‘সাউন্ড মাইন্ড’ বা সুস্থ মানসিকতার হওয়া উচিত।

হাইকোর্টের জারি করা রুলে নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক না করার বিষয়টি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সংশ্লিষ্টদের কাছে তার ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে।


Bangla Lead

সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাঃ উবায়দুল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা লিড