ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
Bangla Lead

ইরানকে ‘গর্ব ও সম্মানের প্রতীক’ আখ্যা দিল হিজবুল্লাহ



ইরানকে ‘গর্ব ও সম্মানের প্রতীক’ আখ্যা দিল হিজবুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান সমঝোতা ও আলোচনার প্রেক্ষাপটে লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে ইসরাইলি সামরিক অভিযান বন্ধে তেহরানের ভূমিকার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের কাছে পাঠানো এক বিশেষ চিঠিতে এই কৃতজ্ঞতা জানান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতার প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হিসেবে ইসরাইল লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।

নাঈম কাসেম ইরানের দীর্ঘদিনের সমর্থনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ইরান সবসময় হিজবুল্লাহ, প্রতিরোধ যোদ্ধা এবং লেবাননের জনগণের পাশে থেকেছে। তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিলেও এর বিনিময়ে কোনো স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করেনি।


তিনি আরও বলেন, ইরান লেবাননের জনগণকে নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছে এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই, ভূমি মুক্ত করা, সমাজের ক্ষত নিরাময় ও পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে যেতে শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে।

চিঠিতে বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলি হামলার পর ইরানের সরাসরি পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টিও উল্লেখ করেন হিজবুল্লাহ প্রধান। তিনি বলেন, ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার ও যুদ্ধের হুমকি উপেক্ষা করে লেবাননের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে ইরান গর্ব ও সম্মানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি হলেও হিজবুল্লাহর এই প্রকাশ্য অবস্থান আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

Bangla Lead

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ইরানকে ‘গর্ব ও সম্মানের প্রতীক’ আখ্যা দিল হিজবুল্লাহ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান সমঝোতা ও আলোচনার প্রেক্ষাপটে লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে ইসরাইলি সামরিক অভিযান বন্ধে তেহরানের ভূমিকার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের কাছে পাঠানো এক বিশেষ চিঠিতে এই কৃতজ্ঞতা জানান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতার প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল হিসেবে ইসরাইল লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।

নাঈম কাসেম ইরানের দীর্ঘদিনের সমর্থনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ইরান সবসময় হিজবুল্লাহ, প্রতিরোধ যোদ্ধা এবং লেবাননের জনগণের পাশে থেকেছে। তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিলেও এর বিনিময়ে কোনো স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করেনি।


তিনি আরও বলেন, ইরান লেবাননের জনগণকে নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছে এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই, ভূমি মুক্ত করা, সমাজের ক্ষত নিরাময় ও পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে যেতে শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে।

চিঠিতে বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলি হামলার পর ইরানের সরাসরি পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টিও উল্লেখ করেন হিজবুল্লাহ প্রধান। তিনি বলেন, ব্যাপক ত্যাগ স্বীকার ও যুদ্ধের হুমকি উপেক্ষা করে লেবাননের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে ইরান গর্ব ও সম্মানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি হলেও হিজবুল্লাহর এই প্রকাশ্য অবস্থান আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা


Bangla Lead

সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাঃ উবায়দুল্লাহ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা লিড